শোক দিবস উপলক্ষ্যে এফবিসিসিআইয়ের সভা ও দোয়া মাহফিল : পিরোজপুর চেম্বারের অংশ গ্রহণ

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (এফবিসিসিআই) আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শনিবার (অনলাইনের মাধ্যমে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে অনলাইনের মাধ্যমে দি পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাষ্টি’র নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহণ করনে।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী, আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু এমপি ও তোফায়েল আহমেদ এমপি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকরি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা এবং এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি সালমান ফজলুর রহমান এমপি ও মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এমপি।এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা অনুষ্ঠানে আলোচনায় আরো অংশ নেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এম এ কাশেম, কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, মীর নাসির হোসেন, এ কে আজাদ এবং আব্দুল মাতলুব আহমেদ।আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার তা তিনি পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই উপলব্ধি করতেন। বঙ্গবন্ধু কখনোই পাকিস্তানে বিশ্বাস করেনি। বঙ্গবন্ধু শুধু রাজনৈতিক মুক্তি চেয়েছিলেন তা নয় তিনি অর্থনৈতিক মুক্তিতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। এটা যদি আমরা তার রাজনীতি ও অর্থনীতির দিকে তাকাই তাহলে স্পষ্টভাবে উপলদ্ধি করতে পারবো। বঙ্গবন্ধু যখন সুযোগ পেয়েছেন তখনই তিনি বাঙালি জাতিকে অর্থনৈতিকভাবে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছেন। সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু না হলে আজও আমরা পাকিস্তানের দাসত্ব করতাম। বঙ্গবন্ধু নিজে কখনো ভাবতে পারতেন না স্বাধীনতার পরে তাকে কেউ হত্যা করতে পারে।বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রের চারটি মূল স্তম্ভ গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষ ও জাতীয়তাবাদকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি সব সময় গণমানুষর জন্য স্বাধীনতা ও অর্থনেতিক মুক্তি চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকরি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি সালমান এফ রহমান তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা এই বাংলাদেশ পেয়েছি। স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশে ছিলো ফরেন এক্সেস ০%, যা ছিলো সব পাকিস্থানীদের দখলে। সেই সময় ৯৫% ইন্ডাস্ট্রির মালিক ছিলো পাকিস্থানীরা। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর সহযোগিতায় দেশেও জনগণ নানা ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে এবং দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণ করে। যার ফলেও বর্তমানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।স্বাগত বক্তবে এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বার্থে সকল ধরনের উন্নয়নের বীজ বপন করে গেছেন বঙ্গবন্ধু। আজ তার সুফল পাচ্ছে দেশের জনগণ। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আশির দশকের বাংলাদেশ বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থানে পৌঁছতে পারতো এবং এতদিনে উন্নত দেশের কাতারেও নাম লেখাতো। এ কে আজাদ বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্র অবস্থাতেই রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করেন। একজন ভিশনারী নেতৃত্ব হিসেবে তিনি সবসময়ই মানুষের মুক্তি ও কল্যাণের জন্য নিবেদিত ছিলেন।

Categories: জাতীয়,টপ নিউজ,বরিশাল বিভাগ,ব্রেকিং নিউজ

Leave A Reply

Your email address will not be published.

ব্রেকিং নিউজ