
ব্যালন ডি’অর জিতলেই কি বিশ্বসেরা খেলোয়াড়? অনেকের ভাবনা তেমনই। যেমন ধরুন, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবার ব্যালন ডি’অর জিতলে তাঁকে বিশ্বসেরা খেলোয়াড় বলবেন অনেকেই। জেরার্দো মার্তিনো অবশ্য সেই গোত্রের মানুষ নন। ইন্টার মায়ামির এই কোচের মতে, এবারের ব্যালন ডি’অর ভিনিসিয়ুসেরই প্রাপ্য, তবে লিওনেল মেসি এখনো ‘বিশ্বসেরা’।
প্যারিসে সোমবার দেওয়া হবে ব্যালন ডি’অর। এবার পুরস্কারটি জয়ের দৌড়ে ভিনিসিয়ুস ও রদ্রিই এগিয়ে। গত মৌসুমে রিয়ালের লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৪ গোল এবং ১১টি গোল বানিয়ে দারুণ অবদান রাখেন ভিনিসিয়ুস।
এটা (ব্যালন ডি’অর) কখনোই এমন কিছু ছিল না, যা আমার মনোযোগ কেড়েছে। আমার কাছে এটাও পরিষ্কার নয়, পুরস্কারটি বিশ্বসেরার স্বীকৃতি, না বছরের সেরা।
জেরার্দো মার্তিনো, ইন্টার মায়ামি কোচ
এসিএল চোটে পড়ে আপাতত মাঠের বাইরে ছিটকে পড়া রদ্রি গত মৌসুমে সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ ও স্পেনের হয়ে জিতেছেন ইউরো। শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে অবশ্য এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের অবদান বোঝানো যাবে না। ফ্রান্সের কিংবদন্তি ও বিশ্লেষক থিয়েরি অঁরির একটি মন্তব্যে ব্যাপারটা বুঝে নেওয়া যায়, ‘লোকে মিডফিল্ডারদের অবদান ভুলে যায়। তারা দলের হৃদয়। রদ্রিও ম্যানচেস্টার সিটির হৃদয়।’
মার্তিনোর প্রসঙ্গে ফেরা যাক। আজ আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে এমএলএসের প্রথম প্লে–অফ ২-১ গোলে জয়ের আগে সংবাদ সম্মেলনে ব্যালন ডি’অর নিয়ে কথা বলেন মায়ামি কোচ। মার্তিনোর দাবি, ব্যালন ডি’অর পুরস্কারটি কিসের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়, সেটি তাঁর কাছে এখনো পরিষ্কার নয়, ‘এটা (ব্যালন ডি’অর) কখনোই এমন কিছু ছিল না, যা আমার মনোযোগ কেড়েছে। আমার কাছে এটাও পরিষ্কার নয়, পুরস্কারটি বিশ্বসেরার স্বীকৃতি, না বছরের সেরা।’
বার্সেলোনা ও মায়ামিতে মেসির সতীর্থ জর্দি আলবা মেসির বাদ পড়ায় বিস্মিত, ‘ব্যালন ডি’অরকে আমি কখনোই অতটা গুরুত্ব দিইনি। কিন্তু আমি মনে করি, লিওকে সব সময় সেখানে রাখতে হবে। সে ধারাবাহিকভাবে পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে। শীর্ষ পর্যায়ের খেলায় সন্দেহের অবকাশ নেই যে সে-ই বিশ্বসেরা।’



