
পৃথিবীর নির্লিপ্ত মগ্নতা ছেড়ে!
আশিক মাহমুদ রিয়াদ
একটি প্রহর থমকে গেছে,
সংবাদ পেয়ে ডাল থেকে উড়ে গেছে কুহক পাখি
দুঃসংবাদের চিরকুট সাথে নিয়ে!
মৃতগাছের ডাল ভেঙে পড়েছে সে ক্রোধে!
সব ক্রোধ শেষে আমিও নিথর…
একটি শোক সংবাদ
অতঃপর? প্রহর থমকে নেই আর!
তোমরা আমায় ডেকোনা কভু,
পৃথিবীর সব আয়োজনে,
ডেকেও কি পাও তবে?..
এ স্পন্দন আজ শূন্য!..
পৃথিবী নয় শূন্যতায়!
আমাকে আর ভেবোনা,
অশ্রুশিক্ত করোনা তোমাদের চোখ
জানি হচ্ছে শোঁক; কবিতায় গাঁথা ক্রোধ
কলমের দাঁগে, অম্লান প্রাতে নিও
যদি পারো খোঁজ।
আমাকে ভেবে মুছে যেওনা,
পৃথিবী আবর্ত রেখায়।
ক্ষয়ে যেওনা, ভেবো তবু্ও!
যে পেলেব স্পর্শ ধ্রুব-সত্যি!.
জীবন জুড়ে যা করেছো উপলব্ধী!
বিচ্ছেদে-মগ্নতায় জোড়ে সন্ধি৷
আমাকে ভেবে দুঃখ করোনা,
আমি আজ সমাপ্ত সত্যের রেখায়
যে সত্য তোমাকেও গ্রাস করবে,
দম্ভ করোনা, অহংকার যেনো না ছোঁয় তোমায়
দেখো ঐ ডালিম গাছ তলায়,
আমাদের পূর্বসূরি নিদ্রায়,
তাদেরও কি সময় ছিলো?
বোধয় না, নিথরতার আগমনী কোন বার্তা নেই!
যা সত্য, স্পন্দন-হৃদয়ে শিক্ত।
মহীরুহে আবর্তে এ প্রহর আজ রিক্ত
জরা তোমায় ছোঁয়ার আগে
শিশির বিন্দু ফোঁটায় ফোঁটায়
পা ডোবাও সন্তাপর্ণে
ভোরের পাখিদের কুহুগান শোনো!
পৃথিবীর সব নির্লিপ্ত হিসেব তুমি এক পাশে রেখো!
তার ডাকে সারা দিও!
সাড়ে তিন হাত বন্দী ঘর দেখে
ঘাবড়ে যেও না, ভয় পেয়ো না।
হয়ত এ ঘর একটি পর্দা
যার পেছনে আছে স্বর্গীয় এক উদ্যান
অথবা আছে তীব্র নরক যন্ত্রণা।
ভয় পেও না, হিসেব মেলাও!
ঘাবড়ে যেও না, হোঁচট খেয়ো না।
হিসেব মেলাও!
তুমি-আমি অনন্ত সত্যের মুখোমুখি
আমায় ডেকো না! অশ্রুশিক্ত করোনা দুঃচোখ!
আজ থেকে তবে ছিন্ন হোক,
তোমার আমার কবিতায় যোগাযোগ!



