
এদিকে মার্কেটের কাজ বন্ধ থাকার কারনে সবজি ব্যবসায়িরা বাজারের যত্রতত্র গণটয়লেট, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সহ যত্রতত্র বসে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এতে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কয়েক হাজার পথচারী ও ক্রেতা সাধারন।
বাজারের ব্যবসায়ী ও একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে এলডিপির বাজার উন্নয়ন প্রকল্পে পিরোজপুরে দশটি মার্কেট নির্মানের কাজ পায় মেসার্স কহিনুর এন্টার প্রাইজ। যাহার মধ্য উপজেলার স্বরূপকাঠি পৌর কাচা বাজার উন্নয়নের ভেজা মার্কেট ভবনের মূল্য ১ কোটি ১০ লাখ টাকা। গত ২০২৩ সালে পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট শ,ম রেজাউল করিম মার্কেটের ভিত্তি প্রস্থর উদ্ধোধন করেন। ভিত্তি প্রস্তর শেষে থেকে কাজ শুরু হয়। গত ৫ আগষ্টের পর ইউএনও মো. মনিরুজ্জামানের নির্দেশে বন্ধ হয়ে যায় বাজার উন্নয়নের ভেজা মার্কেটের কাজ। নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামানের বলেছেন, বাজারে একমাত্র খাল দখল করে ওই মার্কেট নির্মান হচ্ছিল। এ কারনে পিরোজপুর ডিসি মহোদয়ের নির্দেশে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
সবজি বিক্রেতা মো: ইসহাক,সন্তোষ সাহা ও মো: নুরুল ইসলাম বলেন, পূর্বে বাজারের পুরাতন টলঘরে বসে সবজি বেচতাম। নতুন টলঘর তৈরীর জন্য সে ঘরটা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। এখন রাস্তার পাশে,টয়লেটের পাশে বসে সবজি বিক্রি করি। এতে আমাদের ও ক্রেতাদের খুবই কষ্ট হচ্ছে। নির্মানাধীন টলঘরের কাজ ইউএনও স্যারের নির্দেশে বন্ধ রয়েছে। ঘরের কাজটা সম্পূর্ন হলে আমাদের সবার খুবই উপকার হত।
বাজার কমিটির আহবায়ক কাজী আনিসুজ্জামান বলেন, আমাদের বাজারের এলডিপির আওতাধীন পৌর বাজার উন্নয়ন ভেজা মার্কেটের কাজ বন্ধ রয়েছে। ইউএনও মহোদয় এর নির্দেশে কাজ বন্ধ থাকায় ব্যবসায়িরা রাস্তার পাশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সবজি বিক্রি করছে। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ক্রেতা বিক্রেতারা সবাই। বাজারের নির্মানাধীন বন্ধ মার্কেটের কাজ সম্পূর্ন করার জন্য ইউএনও এবং ডিসি মহোদয় সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মনিরুজ্জামান জানান, খালের কিছু অংশ দখল করে বাজার উন্নয়নের মার্কেট উঠছে। তাই পিরোজপুর ডিসি মহোদয়ের নির্দেশে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।



