
পিরোজপুর প্রতিনিধি : তানযীমুল উম্মাহ গার্লস হিফয মাদরাসা পিরোজপুর শাখার শিক্ষার্থী হাফেজা রুবাইয়া আক্তারের সমাপনী ছবক অনুষ্ঠান ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
আজ শনিবার বিকেলে তানযীমুল উম্মাহ গার্লস হিফয মাদরাসা পিরোজপুর শাখায় শাখা প্রধান আব্দুল হাদী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে হাফেজা রুবাইয়া আক্তারের গর্বিত পিতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রহিমকে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ফুলের মালা দিয়ে সম্মানিত করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানযীমুল উম্মাহ গার্লস মাদরাসা খুলনা শাখার সম্মানিত প্রিন্সিপাল আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মজলিসুল মুফাসসিরিনের পিরোজপুর জেলার সম্মানিত সভাপতি মাওলানা আমিরুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা ইমাম সমিতির সেক্রেটারী মাওলানা জাকির হোসাইন, বৌডুবি হাফিযিয়া মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ আমিরুল ইসলাম, তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসা পিরোজপুর শাখার সম্মানিত শাখা সহকারী মো: লোকমান হোসাইন, এবং নুরুন্নবী সালেহি।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা বলেন, ইসলাম নারী-পুরুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য না করে উভয়কে সমভাবে জ্ঞানার্জনের আদেশ দিয়েছে। কুরআনের নির্দেশও তাই। কুরআন সকল পাঠককেই আদেশ করছে পড়তে, চিন্তা-গবেষণা করতে, অনুধাবন করতে, এমনকি বিশ্ব প্রকৃতির মাঝে লুক্কায়িত বিভিন্ন নিদর্শন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে। নবীর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাছে প্রথম যে ওহী নাযিল তার প্রথম শব্দ ছিল ‘ইকরা’ অর্থাৎ পাঠ কর। এখানে স্ত্রী-পুরুষ সকলকেই পাঠ করতে বলা হয়েছে। সুতরাং জ্ঞানার্জন শুধুমাত্র পুরুষের জন্য সীমাবদ্ধ করা হয়নি, পুরুষের মত নারীকেও জ্ঞানার্জনের পূর্ণ অধিকার দেয়া হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য জীবনব্যাপী জ্ঞানের সাধনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই আমাদের উচিত সর্বদা জ্ঞানার্জনে ব্রতী থাকা। এমনকি তিনি ক্রীতদাসীদেরকেও শিক্ষার সুযোগ দেয়ার নির্দেশ দান করেছেন। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বক্তৃতার আসরে যোগ দিতেন। বদর যুদ্ধে বন্দীদের শর্ত দেয়া হয়েছিল যে, তাদের মধ্যে যে কেউ দশজন মুসলিমকে বিদ্যা শিক্ষা দিবে তাদের প্রত্যেককেই বিনা মুক্তিপণে ছেড়ে দেয়া হবে। দোয়া ও ইফতারির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।



